ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
লটারির আড়ালে জমজমাট জুয়ার আসর, সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ বোয়ালমারীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে এমপি মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বিতরণ, ৪০০ অসহায় মানুষের মাঝে নগদ সহায়তা প্রদান আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন আবাসিক কওমি মাদরাসার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ আলেম সমাজের ১০ দফা ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা, মাদ্রাসায় লবণ বিতরণ পল্লবীতে শিশু রামিসার পরিবারের পাশে তারেক রহমান, দ্রুত তদন্তের আশ্বাস আলফাডাঙ্গায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় যুবকের উপর হামলার অভিযোগ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল

শিক্ষার্থীদের টিফিনে কাঁচা কলা, সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত

#

ডেস্ক রিপোর্ট

০৪ মে, ২০২৬,  10:23 AM

news image

ফরিদপুর সংবাদদাতা : সদর উপজেলার স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের বনরুটির সঙ্গে কাঁচা কলা বিতরণের দায়ে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

          ২৮ এপ্রিল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল উপজেলার পূর্বখাবাসপুরের ৯৩ নম্বর শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনা ঘটে।

        বরখাস্ত হওয়া ওই শিক্ষিকার নাম গোলাপী বেগম। তবে ঘটনায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে শিক্ষককে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে দাবি করে স্থানীয় শিক্ষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

       খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে টিফিন হিসেবে বনরুটি কলা দেওয়া হয়। কিন্তু কলাগুলো খাওয়ার অনুপযোগী পুরোপুরি কাঁচা থাকায় শিক্ষার্থীরা তা খেতে পারেনি। ঘটনার ছবি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক মহলে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষক গোলাপী বেগম নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জানান, ওইদিন প্রধান শিক্ষক ছুটিতে থাকায় তিনি দায়িত্বে ছিলেন। কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা নির্দেশনা না থাকায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যেভাবে কলা দিয়েছে, তিনি সেভাবেই গ্রহণ বিতরণ করেছেন।

      বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশলেনা খাতুন বলেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যে নিম্নমানের কাঁচা কলা দিয়েছে তা পাঁচ দিনেও পাকেনি। অথচ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে, যা অন্যায্য।

       সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা পরিচালক মো. জাকির হোসেনের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী খাবার দুদিন আগে পৌঁছে দেওয়া হয়। সোমবার বিতরণের কথা থাকলেও একদিন আগেই কাঁচা কলা বিতরণ করায় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

        ফরিদপুর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কাঁচা কলা দিলে শিক্ষকের দোষ কোথায়? কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন ছাড়াই একজন শিক্ষককে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

        জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন জানান, খাওয়ার অনুপযোগী খাদ্য বিতরণ করায় অসদাচরণের অভিযোগে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে মানহীন খাবার সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং সেখান থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

logo সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রিজাউল হক