ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
গোপালপুর দাখিল মাদ্রাসার বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গোপালপুর দাখিল মাদ্রাসার বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিখোঁজ সংবাদ টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন, বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান অনির্দিষ্টকালের জন্য ইরানের বন্দর অবরোধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন সংযোজন: চট্টগ্রাম বন্দরে জেট ফুয়েল ও ডিজেলের বড় চালান ফরিদপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ২ জন কুকুরকে কামড়ে নিলো কুমির: ঘটনা তদন্তে প্রশাসন, মরদেহের নমুনা পাঠানো হলো ঢাকায় কুষ্টিয়ায় মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ, পীর নিহত কুষ্টিয়ায় মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ, পীর নিহত

নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী: সালথায় ফিরছে আস্থা, বাড়ছে ভোটারদের নিরাপত্তাবোধ

#

ডেস্ক রিপোর্ট

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬,  4:44 PM

news image

সালথা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনকে ঘিরে যে কোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে তারা।
সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংঘর্ষপ্রবণ হিসেবে পরিচিত এই উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনমনে নতুন করে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে। অনেক ভোটারই বলছেন, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর তারা এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে সেনাসদস্যদের টহল নারী ও প্রবীণ ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সালথা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাজুড়ে নিয়মিত টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। এসব এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সালথা আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বশীল সেনা কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের আধিপত্য বিস্তার বা সহিংসতার চেষ্টা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলেও জানান তারা। ইতোমধ্যে সংঘর্ষপ্রবণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা, কঠোর অবস্থান এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে রাজনৈতিক দলগুলোও সংযত আচরণে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে সেনাবাহিনীর এই দায়িত্বশীল ভূমিকা নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

logo সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রিজাউল হক