ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
লটারির আড়ালে জমজমাট জুয়ার আসর, সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ বোয়ালমারীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে এমপি মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বিতরণ, ৪০০ অসহায় মানুষের মাঝে নগদ সহায়তা প্রদান আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন আবাসিক কওমি মাদরাসার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ আলেম সমাজের ১০ দফা ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা, মাদ্রাসায় লবণ বিতরণ পল্লবীতে শিশু রামিসার পরিবারের পাশে তারেক রহমান, দ্রুত তদন্তের আশ্বাস আলফাডাঙ্গায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় যুবকের উপর হামলার অভিযোগ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল

নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী: সালথায় ফিরছে আস্থা, বাড়ছে ভোটারদের নিরাপত্তাবোধ

#

ডেস্ক রিপোর্ট

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬,  4:44 PM

news image

সালথা প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনকে ঘিরে যে কোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে তারা।
সালথা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংঘর্ষপ্রবণ হিসেবে পরিচিত এই উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনমনে নতুন করে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে। অনেক ভোটারই বলছেন, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর তারা এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে নিজেদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে সেনাসদস্যদের টহল নারী ও প্রবীণ ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে সালথা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাজুড়ে নিয়মিত টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। এসব এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সালথা আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বশীল সেনা কর্মকর্তারা জানান, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের আধিপত্য বিস্তার বা সহিংসতার চেষ্টা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলেও জানান তারা। ইতোমধ্যে সংঘর্ষপ্রবণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীর নিরপেক্ষতা, কঠোর অবস্থান এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে রাজনৈতিক দলগুলোও সংযত আচরণে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন তারা।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক রাখতে সেনাবাহিনীর এই দায়িত্বশীল ভূমিকা নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

logo সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রিজাউল হক