সংবাদ শিরোনাম
আব্দুল মতিন মুন্সি
০৮ মার্চ, ২০২৬, 3:52 PM
রাস্তা ছিল না, এখন চলাচল সহজ: তেলজুড়িতে অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি গ্রামবাসীর
আব্দুল মতিন মুন্সী : বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের তেলজুড়ি গ্রামে রাস্তা সংস্কার ও ইট অপসারণকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিযোগ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন এবং অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এলাকাবাসী জানান, খালপাড় দিয়ে পূর্বে কোনো চলাচলযোগ্য রাস্তা ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংযোগ সড়কের দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। পরে স্থানীয় উদ্যোগে প্রায় ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করা হয়, যা মাঠের মধ্য দিয়ে বামনগাতী পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করে। এতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হয়।
গত বছর সরকার প্রায় ১৫০ মিটার অংশে ইটের সলিং করে দেয়। কিন্তু পাট মৌসুমে ভারী পাটবোঝাই যানবাহন চলাচলের কারণে ওই অংশের ইটের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, রাস্তা সংস্কারের স্বার্থে ইটগুলো সাময়িকভাবে সরিয়ে মাটি সমান করা হয়েছে। পরে পুনরায় ইটের সলিং করে দেওয়ার কথা রয়েছে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে শর্ত ছিল—রাস্তা যথাযথভাবে নির্মাণ করে দিতে হবে এবং কাজের সময় কিছু অতিরিক্ত মাটি বাইরে বিক্রি করা যাবে। সেই সমঝোতার ভিত্তিতেই কাজ শুরু হয় বলে জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা জাহান বেগম বলেন, “আগে এখানে কোনো রাস্তা ছিল না। এখন আমরা সহজে চলাচল করতে পারছি। রাস্তা ঠিক করার জন্যই ইট তোলা হয়েছে।”
সাইফুদ্দিন নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, “পাটের গাড়ি চলার কারণে রাস্তা ভেঙে গিয়েছিল। সংস্কারের কাজ চলছে। অভিযোগগুলো পুরো সত্য নয়।”
অভিযুক্ত ভেকু মালিক মো. আফতাব হোসেন বলেন, “এলাকার লোকজনের অনুরোধে শর্ত সাপেক্ষে কাজ শুরু করি। রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার কথা রয়েছে। কিছু মাটি বাইরে বিক্রির বিষয়টি আগেই সম্মতিতে হয়েছিল। কিন্তু একটি পক্ষ আমার কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। আমি অস্বীকৃতি জানালে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়।”
এ ঘটনায় এলাকায় বিভিন্ন মত থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।
সম্পর্কিত