ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
লটারির আড়ালে জমজমাট জুয়ার আসর, সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ বোয়ালমারীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে এমপি মহোদয়ের ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান বিতরণ, ৪০০ অসহায় মানুষের মাঝে নগদ সহায়তা প্রদান আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন আবাসিক কওমি মাদরাসার শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সাধারণ আলেম সমাজের ১০ দফা ঈদুল আজহা সামনে রেখে পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা, মাদ্রাসায় লবণ বিতরণ পল্লবীতে শিশু রামিসার পরিবারের পাশে তারেক রহমান, দ্রুত তদন্তের আশ্বাস আলফাডাঙ্গায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় যুবকের উপর হামলার অভিযোগ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল

মধুখালীতে জাল সনদে চাকরি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

#

আব্দুল মতিন মুন্সি

১৭ মে, ২০২৬,  4:52 PM

news image

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আলম হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি গ্রহণ এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। 


এ ঘটনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ আলম হোসেন মোল্লার বাড়ি মধুখালী উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত বন্দর শংকরপুর দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।


 অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি কওমি মাদরাসার কিতাব বিভাগে কোনো ধরনের লেখাপড়া না করেও জাল সনদ দাখিলের মাধ্যমে শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন।


লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারীরা। 


এছাড়াও স্থানীয় শিক্ষক, মসজিদ কমিটির সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।


এদিকে চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক গঠিত ছয় সদস্য বিশিষ্ট একটি বোর্ড অভিযুক্ত শিক্ষকের সনদ যাচাই-বাছাই করে। যাচাই-বাছাই শেষে উক্ত বোর্ডে তার দাখিলকৃত সনদ সঠিক নয় বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 


এ বিষয়ে বোর্ডের একাধিক সদস্যের সঙ্গে কথা বললেও অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।


স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাল সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিষয়টি একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলেও তারা দাবি করেন। 


তাই অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাকরি থেকে অব্যাহতি, সরকারি অর্থ ফেরত আদায় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।


তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ আলম হোসেন মোল্লার বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, জেলা প্রশাসক ফরিদপুর, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন ফরিদপুর এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে অভিযোগপত্রের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

logo সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ রিজাউল হক